বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, "বর্তমান সরকারের নির্যাতন ও অত্যাচারে জনগণের সহ্যের বাধা ভেঙে গেছে।"
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমানের মুক্তির দাবিতে ঢাকা জেলা যুবদল আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।
মাহবুব হোসেন বলেন, “এ অবৈধ সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য বিরোধী দলের ওপর নির্মম নির্যাতন করেই যাচ্ছে। বিরোধী দলকে দমিয়ে রাখার জন্য বিরোধী দলের বিভিন্ন নেতাকর্মীদের একের পর এক মামলা দিচ্ছে।”
শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে এসময় তিনি বলেন, “বিরোধী দলকে নির্যাতন করে কোনো সরকার আজ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেনি। ইতিহাস তাই বলে। আপনিও (শেখ হাসিনা) টিকে থাকতে পারবেন না।”
বিএনপির এ সিনিয়র নেতা বলেন, “যতই হামলা মামলা করা হবে, ততই আমাদের আন্দোলন বেগবান হবে।”
আমানউল্লাহ আমানের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার আমান উল্লাহ আমানের জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আইনের আছে কেউ জামিনের শর্ত ভঙ্গ করলে তার জামিন বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু আমান সেরকম কিছুই করেননি। তারপরও এ সরকার তার প্রতি ভীত হয়ে তাকে কারাগারে নিক্ষেপ করেছে।”
তিনি আরো বলেন, “আপনারা (সরকার) যদি মনে করেন আমানকে গ্রেপ্তার করে আরাম আয়েশে ক্ষমতায় থাকবেন তা হবে না। আমাদের আন্দোলন চলবেই।”
মাহবুব হোসেন বলেন, “এ সরকার সংবিধান পরিপন্থী, আইনের শাসনের পরিপন্থী। তাই তার পক্ষে সব কিছুই করা সম্ভব।”
সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন “অতি দ্রুত জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন না দিলে যেকোনো সময় গণবিস্ফোরণে এ সরকারের পতন হবে।
উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার ক্ষমতায়, সরকারের সন্ত্রাসীরা ক্ষমতায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ক্ষমতায়। তারপরও এ নির্বাচনে জনগণ সরকারের প্রার্থীদের প্রত্যাখ্যান করে বিএনপির পক্ষে মানুষ ভোট দিয়েছে।”
ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান, বিএনপির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান রিপন, নাজিমউদ্দিন আলম, সহ-দপ্তর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন প্রমুখ।



0 Comments
Thank's for your comment...