রাসায়নিক অস্ত্রের বেশির ভাগই ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছে লিবিয়া। বুধবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ দাবি করেন। বিবিসি।
লিবিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ জানান, দেশটির সাবেক স্বৈরশাসক মোয়াম্মার আল গাদ্দাফির শাসনামলে সংগ্রহ করা এসব রাসায়নিক অস্ত্রের অধিকাংশই ধ্বংস করা হয়েছে।
এ সময়ে সম্মেলনে জাতিসংঘের রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা ‘অর্গানাইজেশন অফ প্রহিবিশন অফ কেমিক্যাল উইপনস’ এর প্রধান আহমেদ উজুমকু উপস্থিত ছিলেন।
উজুমকু বিষয়টিকে লিবিয়ার জন্য একটি বড় ধরনের মাইলফলক বলে আখ্যায়িত করেছেন।
তিনি বলেন, "এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।" একই পথ সিরিয়ার অনুসরণ করা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সাবেক স্বৈরশাসক কর্নেল গাদ্দাফির শাসনামলে ২০০৪সালে লিবিয়া তার রাসায়নিক অস্ত্র ভাণ্ডারে মাস্টার্ড গ্যাস নামের একরাসায়নিক অস্ত্রের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে।
তখন সেই ভাণ্ডারে ২৫ টন মাস্টার্ড গ্যাসের কথা জানিয়েছিল লিবীয় কর্তৃপক্ষ। এরপর তা ধ্বংস করার কাজ শুরু হয়।
দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শেষে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে কর্নেল গাদ্দাফির পতনের পর নতুন সরকার জার্মানি, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় সেই কাজ অব্যাহত রাখে।
দশ বছর পর অবশেষে তারা ভাণ্ডারের বেশিরভাগ ধ্বংস করার কাজ শেষ হলো বলে জানাচ্ছে।
মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ বলেছেন, গত মাসের ২৬ তারিখ তারা মাস্টার্ড গ্যাসের শেলগুলো ধ্বংস করার কাজ সম্পন্ন করেছেন।
উজুমকু এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন বলে দাবি করেছেন।
অপেক্ষাকৃত কম ধ্বংসাত্বক রাসায়নিক অস্ত্র এখনো যা বাকি রয়েছে তা ২০১৬ সালের মধ্যে ধ্বংস করে ফেলা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


0 Comments
Thank's for your comment...